নবাবী আমলের মুর্শিদাবাদের চিড়িয়াখানা | Murshidabad Chiriyakhana | Murshidabad Zoo.




নবাবী শহর হিসেবেই পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ শরকে চেনে পৃথিবীর মানুষ। কিন্তু এই মুর্শিদাবাদের পর্যটন সুধু যে নবাব কেন্দ্রিক নয় সেটি বুঝাতে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন দফতরের নতুন উদ্যোগ।

বিভিন্য যানা অযানা দর্শনীয় স্থানকে বিশ্বের মানুষের সামনে নিয়ে আসছেন তারা। তাই এই নবাবী আমলের কাঠগোলা বাগানে চিড়িয়াখানা কে সাজিয়া তোলা তার অন্যতম পদক্ষেপ।

আজ আমি আপনাদের সেই খানেই নিয়ে যাবো। আশা করছি আপনারা এই ভিডিওটি দেখে আনন্দ পাবেন। ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই একটি লাইক এবং শেয়ার করেদিবেন।

এবং এই চ্যানেলটি এখন পর্যন্ত যারা সাবইস্ক্রাইব করেননি তারা অবশ্যই সাবইস্ক্রাইব করে বেল নোটিফিকেশন টি বাজিয়ে দিবেন তো চলুন শুরু করা যাক।  

প্রচার ও প্রসারের আলো না থাকা এই মুর্শিদাবাদের এমনই একটি মন মুগ্ধকর দর্শনীয় স্থান হল হাজারদুয়ারির কাঠগোলা বাগানে গরে ওঠা চিড়িয়াখানা। হাজারদুয়ারির কাঠগোলা বাগান পর্যটকদের আকর্ষণী স্থান হলেও এই চিড়িয়াখানার কথা অনেকেরই আজানা

২০১৬ সালে প্রায় ১৪৬ বছর পরে এই ঐতিহ্যবাহী চিড়িয়াখানার দরজা খোলা হয়। এই কাঠগোলা বাগানের মধ্যে বাগানবাড়ির আগেই রাস্তার পশ্চিম দিকে এই চিড়িয়াখানা তৈরি করেছেন কর্তৃপক্ষ।

এই চিড়িয়াখানায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৮ টি খাঁচা আছে। এর ভিতরে প্রবেশ করলে দেখতে পাবেন মাঝখানে লম্বা চৌবাচ্চায় বিভিন্য দেশের রঙ বেরঙ এর মাছ।  সাইডের অ্যাকুরিয়াম গুলিতেও রয়েছে বিভিন্য রঙের মাছ।

এবং খাঁচাতে দেখতে পাবেন বিভিন্য প্রচাতির বিদেশি পাখি। যার মদ্ধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ককটেলস, আফ্রিকান লাভ বার্ডস, ম্যাকাও,জাভা প্যারো,গ্রে প্যারটস, বোজলাস নামের বিভিন্য পাখির দল।

এই চিড়িয়াখানার সব চেয়ে আকর্ষণীয় জিনিসটি হল এমু বার্ড বা এমু পাখি। এছারাও আরও নতুন সব প্রাণী চিড়িয়াখানায় নিয়া আসার চিন্তাভাবনা করছেন কর্তৃপক্ষ

এই মুর্শিদাবাদের স্থানীয় ইতিহাস ঘাঁটলে যানাজাবে ১৭৮০ খৃস্টাব্দে এই কাঠগোলা বাগান প্রতিষ্ঠা করেন লক্ষীপৎ সিং দুগর প্রায় ২৬০ বিঘা জুড়ে এই বাগানবাড়ি টির মনমুগ্ধকর সৌন্দ্যর্য পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন বাঙলার নবাব মোবারক উদ দৌলা৷
সেই আমলে এই বাগানে প্রচুর কাঠ গোলাপের চাষ হত বলে এই বাগানের নাম করন হয় কাঠগোলার বাগান৷ জানা যায় যে  বাঘ, ভাল্লুক দেশবিদেশের প্রচুর পশু ছিল এই বাগানের চিড়িয়াখানায়৷
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিড়িয়াখানার পশুরা মারা যেতে শুরু করে৷এবং আস্তে আস্তে লুপ্ত হতে সুরু করে এই চিড়িয়াখানা।  

No comments

Thanks for giving your opinion.

Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.